চলতি বছরেই উত্তর কোরিয়া-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠকের সম্ভাবনা


যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়ার কর্মকর্তাদের মধ্যে ফের ‘ওয়ার্কিং লেভেলের’ বৈঠক শুরু হচ্ছে। চলতি মাসের মাঝামাঝি এই আলোচনা শুরুর সম্ভাবনা অনেক বেশি। উত্তর কোরিয়ার বেধে দেয়া এক বছরের সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই আলোচনা শুরু হবে বলে সোমবার দক্ষিণ কোরিয়ার এক আইনপ্রণেতা দেশটির পার্লামেন্টকে জানিয়েছেন।

ডোনাল্ড ট্রাম্প ও কিম জং উন

গত মাসে সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে উত্তর কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা বৈঠকে বসেছিলেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন গত জুনে পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ আলোচনা শুরুর বিষয়ে একমত হওয়ার পর এটাই দুই দেশের মধ্যে প্রথম আলোচনা।

ফেব্রুয়ারিতে ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও কিম জং উনের মধ্যে অনুষ্ঠিত বহুল প্রত্যাশিত বৈঠক ভেস্তে যাওয়ার পর জুনে পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ আলোচনা পুনরায় শুরুর ব্যাপারে একমত হন বৈরী এই দুই দেশনেতা। কিন্তু সুইডেনের আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অনমনীয়তাকে দায়ী করছে উত্তর কোরিয়া।

দক্ষিণ কোরিয়ার আইনপ্রণেতা লি ইউ জায়ে সোমবার দেশটির পার্লামেন্টের জাতীয় গোয়েন্দা বিভাগকে (এনআইএস) দেয়া এক ব্রিফিংয়ে বলেন, ‘ডিসেম্বরে কিম জং উনের বেধে দেয়া সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই উভয় পক্ষ আলোচনায় বসবে। তবে সিউলের মার্কিন দূতাবাস তাৎক্ষণিক এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।’

আইনপ্রণেতা লি ইউ জায়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘সর্বশেষ খবর অনুযায়ী এনআইএস ধারণা করছে চলতি মাসের মাঝামাঝি অথবা ডিসেম্বরের শুরুতে এই আলোচনা পুনরায় শুরু হবে। কিম জং উন হয়তো ডিসেম্বরে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সম্ভবত আরেকটি বৈঠকে বসছে। তার আগে তার চীন সফরে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’