পরিকল্পিত সেহরিতে সুস্থভাবে সিয়াম সাধনা

  • 43
    Shares

উর্মিলা উর্মি:

রমজান মানেই যেন খাওয়া-দাওয়া নিয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ হিসেব-নিকেশ! তবে সবাই কী তা করে? অনেকেই অপরিকল্পিতভাবে খাবার গ্রহণ করে থাকে রোজার মাসে। আবার অন্য সময়ে খাদ্য বিষয়ে সচেতন একদল মানুষও বলে বেড়ান, ‘রমজানে খেলে কিছুই হয় না’! শুধু মুখে বলেই ক্ষ্যান্ত দেন না তারা, মেতে ওঠেন অতিভোজনে!

রমজানে খাবার বলতে সাধারণত সেহরি ও ইফতার। এছাড়াও ইফতারের পর তারাবীহ্ নামাজ পড়ে হালকা খাবার খেয়ে থাকেন।তবে সেহেরিতে কী খাবেন আর কী খাবেন না, তা নিয়ে বেশ চিন্তিত থাকেন বেশিরভাগ রোজাদার।

কিন্তু না জেনে-বুঝে অপরিকল্পিত খাদ্য নির্বাচন ও গ্রহণ করার ফলে শারীরিক অসুস্থতা পড়েন। ফলে বাকি রোজাগুলো অনেক সময় নষ্ট হয় তাদের। মাসব্যাপী সিয়াম সাধনার জন্য যেমন মানসিক শক্তি ও আল্লাহ’র প্রতি আনুগত্য প্রয়োজন, তেমনি সুস্থ থাকাও অত্যন্ত জরুরি।

শরীর সুস্থ রাখতে সঠিক খাবার তালিকা অনুসরণ করতে হবে। প্রথমত অধিক তেল-মশলা জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। সেহেরিতে ভাত, মিক্সড সবজি, মাছ বা মুরগি এক টুকরা, ডাল, সঙ্গে দই বা লো ফ্যাট দুধ এক কাপ খেতে পারেন।

কেউ ভাত খেতে না চাইলে রুটি, চিড়া-দইও খেতে পারেন। সেহেরির সময় একসঙ্গে বেশি পানি না খেয়ে ইফতারের পর থেকে রাত পর্যন্ত অল্প অল্প করে পানি পান করা উচিত। তবে সেহরি শেষে আজানের আগের সময়টুকুতে দুয়েক’টি খেজুর খেলে দিনে পানির তৃষ্ণা কিছুটা কম লাগবে।

অনেকেই ভেবে থাকেন, সেহেরিতে বেশি খাবার খেলে রোজা রেখে সারাদিন কষ্ট কম হবে। এটি সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। পরিমিত ও সহনীয় খাবার খেয়ে রোজ রাখলে তা সুন্দরভাবে শেষ করা যায়। ফলে পবিত্র রমজানে অতিভোজন ও অপরিকল্পিত খাবার গ্রহণ থেকে দূরে থাকার জন্য মনস্থির করুন।


  • 43
    Shares
শর্টলিংকঃ