মনোনয়ন বাণিজ্য-চাঁদাবাজিতে ২০১৮ সালে আয় বেড়েছে বিএনপির!

  • 19
    Shares

রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা থেকে বহুদূরে থাকলেও রাজনৈতিক দল হিসেবে আয় বেড়েছে বিএনপির। আয়ের বিপরীতে কমেছে ব্যয়। মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে বিএনপি ২০১৮ সালের আয়-ব্যয়ের যে হিসাব জমা দিয়েছে তা থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, ২০১৮ সালে বিএনপির আয় হয়েছে ৯ কোটি ৮৬ লাখ ৫৬ হাজার ৩৮০ টাকা। আর ব্যয় হয়েছে ৩ কোটি ৭৩ লাখ ২৯ হাজার ১৪৩ টাকা। এখন পর্যন্ত দলীয় তহবিলে মোট উদ্বৃত্ত ৬ কোটি ১৩ লাখ ২৭ হাজার ২৩৭ টাকা। নমিনেশন ফরম বিক্রি, দলীয় সদস্যদের মাসিক চাঁদা, এককালীন অনুদান হতে মোট আয় হয়েছে। আর অফিসের বিভিন্ন খরচ, ইফতার পার্টি, পোস্টার ছাপানো, নির্বাচনী ব্যয় বাবদ এবং নির্যাতিত নেতাদের সহায়তা করা এবং বন্যায় ত্রাণ কাজে মোট ব্যয় হয়েছে।

এদিকে দীর্ঘ প্রায় একযুগের বেশি সময় ক্ষমতার বাইরে থাকা বিএনপির আয় বৃদ্ধি নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে রাজনৈতিক অঙ্গনে। একাদশ জাতীয় নির্বাচনে মনোনয়ন বিক্রি, পদ বাণিজ্য ও কমিটি অনুমোদনের নামে দুর্নীতি করে বিএনপি ২০১৮ সালে কোটি কোটি টাকা আয় করেছে বলেও মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

বিএনপির আয়-ব্যয় বিবরণীর অসামঞ্জস্যতার বিষয়ে কঠোর সমালোচনা করে রাজনৈতিক বিশ্লেষক বিভূরঞ্জন সরকার বলেন, রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি একযুগেরও বেশি সময় ধরে ক্ষমতার বাইরে থেকেও আয় করেছে কোটি কোটি টাকা। বিষয়টি বিস্ময়কর মনে হয়েছে আমার কাছে।

অবশ্য মনোনয়ন বাণিজ্য, পদ বিক্রি, কমিটি অনুমোদন দেয়ার নামে নানা অভিযোগ ছিলো দলটির বিরুদ্ধে। বলতে দ্বিধা নেই, শুধুমাত্র একাদশ জাতীয় নির্বাচনেই তো দলটির বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার মনোনয়ন বাণিজ্যের অভিযোগ রয়েছে। সুতরাং এই দল তো কোনদিনই লোকসানে থাকবে না।

তিনি আরো বলেন, রাজপথের রাজনীতি করতে গেলে ব্যয় হতো বিএনপির। কিন্তু বিএনপিতে কয়েক বছর ধরে রাজপথে নামে না। রাজপথে না নামলেও চাঁদাবাজি কিন্তু বন্ধ করেনি বিএনপি। সেজন্যই আয় বেড়েছে দলটির। তবে তাদের জমা দেয়া আয়-ব্যয় বিবরণী নিয়ে আমার যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। এটি সম্ভবত সত্য বিবরণী নয়।


  • 19
    Shares
শর্টলিংকঃ