মূর্ছনার সম্রাট মোৎসার্ট

  • 1
    Share

১৭৫৬ সালের জানুয়ারির এক শীতল সন্ধ্যায় সংগীতজ্ঞ লেওপোল্ড মোৎসার্ট সলজবুর্গ শহরের ছোট্ট একটা অ্যাপার্টমেন্টে শিশুর জন্মের আয়োজন করছিলেন। তার স্ত্রী মারিয়া অ্যানা তখন প্রসব বেদনায় কাতর। যদিও সাত-সাতবার প্রসব যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে তিনি অতিক্রম করেছেন, কিন্তু জীবিত ছিল একটি মাত্র চার বছর বয়সী কন্যা। রাত ৮টায় প্রতীক্ষার অবসান হলে তাদের কোলে এল এক পুত্রসন্তান।

লেওপোল্ড সেখানে এসেছিলেন আউসবুর্গ শহর থেকে। তার বাবা সেখানে বই বাঁধাইয়ের কাজ করতেন। যদিও সলজবুর্গে চলে আসার ২০ বছর পর পুত্রসন্তানের জন্ম হয়। তবু সেই খবরটা লিখে জানান আউসবুর্গে শহরের বন্ধু ও তার লিখিত বেহালা বাজানোর নিয়মাবলি বইয়ের প্রকাশক উয়োহান লটারকে। চিঠিতে তিনি জানান, ‘আনন্দের খবরটা তোমাকে বলি, ২৭ জানুয়ারি রাত ৮টায় আমার প্রিয় স্ত্রী একটি পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়েছে…পুত্র আর জননী সুস্থ আছে।’

ক্যাথলিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ২৭ জানুয়ারি ছিল কনস্ট্যান্টিনোপলের সেন্ট জন ক্রাইসোস্তমের উৎসব। পরদিন তাই চার্চে নিয়ে গিয়ে পিতা লেওপোল্ড সন্তানের খ্রিস্টীয়করণ সম্পন্ন করেন। সলজবুর্গ ক্যাথেড্রালে পুত্রসন্তানের পুরো নাম রাখা হয়, ইয়োহানস ক্রাইসোস্তমুস ভলফগাংকুস থিওফিলাস মোৎসার্ট। কিন্তু এ দীর্ঘ নামের উৎস কী? সত্যি বলতে কি, ক্রাইসোস্তমুস অংশটি এসেছিল জন্মদিনের ধর্মীয় উৎসবের আলোকে। অন্যদিকে লিওপোল্ডের শশুর, ভলফগাং নিকোলাউসের নাম থেকে এসেছে ভলফগাংকুস। গ্রিক নাম, থিওফিলাসের অর্থ বিধাতার ভালোবাসার পাত্র। লাতিন ভাষায় থিওফিলাস শব্দের প্রচলিত প্রতিশব্দ হলো আমাদেউস, ফ্রেঞ্চ ভাষায় যা হলো আমাদে। সেই পুত্রসন্তান পরে পৃথিবীতে ভলফগাং আমাদিউস মোৎসার্ট নামে পরিচিত হন। মোৎসার্ট নিজে অবশ্য তার নামের ফরাসি উচ্চারণ ভলফগাংক আমাদে মোৎসার্ট শুনতেই বেশি পছন্দ করতেন।

মোৎসার্টের জন্মের পর দ্বিতীয় দিন থেকে পরের পাঁচ বছরে কী হলো, তা জানা যায় না। তার অসংখ্য জীবনীতে কিছু বছরের ঘটনার কোনো উল্লেখ নেই; হতে পারে বছরগুলো গুরুত্বপূর্ণ কিছু নয়, হতে পারে রহস্যময়। তারপর বাবার তত্ত্বাবধানে মোৎসার্টের সংগীতশিক্ষা আরম্ভ হয়। পিয়ানোর কর্ডে হাত পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই পরিবারের প্রত্যেকে তার সংগীতচেতনা দেখে চমকে ওঠেন। ১৭৬১ সালের জানুয়ারিতে সংগীতজ্ঞ পিতা ভিয়েনায় বাজানোর জন্য একটি সংগীতের স্বরলিপি লিপিবদ্ধ করে কেবল শেষ করে রেখেছিলেন। তখন মোৎসার্টের পঞ্চম জন্মদিন দরজায় কড়া নাড়ছিল। সে হঠাৎ বাবার লেখা স্বরলিপির নোটবুক খুলে পিয়ানোর সামনে বসে দেখে দেখে সংগীতটি বাজানো শুরু করে। গভীর বিস্ময়ে তখন বাড়ির লোকেরা তার বাজনা শোনে। পৃথিবীখ্যাত পিয়ানোবাদক বনে যাওয়ার সেই ছিল শুরু।

পরের বছরটা ছিল বাবার সঙ্গে ভিয়েনা, মিউনিখ এবং আরো কিছু জায়গায় সংগীত পরিবেশনে সামান্য অংশগ্রহণ করার। বাবা তখন সন্তানের সংগীত পরিবেশনের ওপর পুরোপুরি আস্থা রাখতে শুরু করেছেন। পরের তিন বছর বাবার সঙ্গে মোৎসার্ট অন্তত ১৭টা শহরে পিয়ানো বাজিয়ে বেড়ান। ওই বয়সেই তিনি রাজা, রানী, সম্রাট, সম্রাজ্ঞীদের সম্মানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বহুবার পিয়ানো বাজিয়ে শোনান। মিউনিখ, প্যারিস, লন্ডন, হেগ ও জুরিখের মতো বড় শহরে ছোট্ট বালক অভিজাত শ্রোতাদের সুরের জাদুতে মোহিত করেন। তবে ভাইবোন, দুই শিশুশিল্পী কনসার্টের উদ্দেশে পাড়ি দেয়া দীর্ঘ যাত্রাপথের ধকল সহ্য করতে পারেন না বলে ভয়ানক অসুস্থ হয়ে পড়েন। সে কারণে সফর সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই বাতিল করতে হয়।

১৭৬৫ সালে প্যারিসে মোৎসার্টের নিজস্ব সৃষ্টি করা প্রথম সংগীত অবমুক্ত হয়। তিনটি ভিন্ন লয়ে বেহালায় বাজানো সোনাটা। সংগীতটির নাম ছিল অপাস ১। ১৭৬৮ সালে মোৎসার্ট প্রথম পরিপূর্ণ একটি অপেরার স্বরলিপি লেখেন। সংগীতটি প্রকাশিত হলে অনেকে সন্দেহ প্রকাশ করেন যে এটি হয়তোবা তার পিতার সৃষ্টি। পিতা ভেবে পাচ্ছিলেন না মোৎসার্টের সৃষ্ট প্রথম অপেরা কোথায় উদ্বোধন করা যায়। তবে মানুষের সন্দেহের অবকাশ ঘটানো এবং মাত্র ১২ বছর বয়সী সন্তানের অভূতপূর্ব সৃষ্টির প্রদর্শন—দুইয়ে মিলে তাকে নিঃসন্দেহে উত্তেজনায় রেখেছিল। শেষ পর্যন্ত জন্মস্থান সলজবুর্গেই অপেরার আয়োজন হয়। মোৎসার্টকে তাত্ক্ষণিকভাবে সংগীতটিতে ছোটখাটো নানা পরিবর্তন বা পরিবর্ধন করে নানা কায়দায় বাজাতে দেখে সন্দেহপ্রবণ শ্রোতাদের ভুল ভাঙে।

১৭৬৯ সালে প্রায় কৈশোর উত্তীর্ণ মোৎসার্ট প্রায় বছরব্যাপী বিচিত্র স্থানে কনসার্ট করে বেড়ান। একমাত্র বোন ততদিনে বিয়ের উপযুক্ত হয়ে ওঠায় সে যাত্রায় আর তাকে সঙ্গী হিসেবে পান না। ও রকম সময়ে কখনো দিনের পর দিন রাস্তায় আর গাড়িতে কেটে যায় তার। স্মৃতিতে আর বিভিন্ন চিঠিতে সে সময়ের ভ্রমণের বর্ণনা দেন। ওই বছরের ডিসেম্বরে ১০ দিনের যাত্রাপথ পেরিয়ে ইতালির ভেরোনায় উপস্থিত হন মোৎসার্ট। তারপর সেখানে শুরু হয় তার চমক। মিলানে একের পর এক কনসার্ট চলতে থাকে। শ্রোতারা অল্প বয়সী পিয়ানো আর বেহালা বাদকের উপস্থিতিতে কৌতূহলী হন। প্রতিটি অনুষ্ঠানের পর দেখা যায় তারা থম মেরে বসে থাকেন। তাদের মুখে কথা জোটে না। পরে তাদের মুখে মুহুর্মুহু শোনা যায়, কনিষ্ঠ মায়েস্ত্রো দীর্ঘজীবী হোক।

প্রথম পরিবেশিত সেই অপেরাটির নাম ছিল মিত্রিদেত, রে ডি পান্তো। ক্রমান্বয়ে মোৎসার্টের পরের সৃষ্টিগুলো শ্রোতার ওপর এত দীর্ঘস্থায়ী ছাপ ফেলে যে সেই প্রথম সংগীতটি পরে আর তেমন পরিবেশিত হতে দেখা যায়নি। অপেরা ছাড়াও মোৎসার্ট সিম্ফনি, সোনাটা, স্ট্রিং কোয়াট্রেট, সেরেনেডস সংগীত সৃষ্টি করেন।

প্রভূত গুণী মোৎসার্ট মাত্র ১৭ বছর বয়সে সলজবুর্গের দরবারি সংগীতজ্ঞ হিসেবে নিয়োগ পান। তার জন্য দুঃখজনক ছিল যে ১৭৭৭ সালে যখন তিনি কনসার্ট করার উদ্দেশে ভিয়েনায় ভ্রমণ করছিলেন তখন তাকে দরবার থেকে পদচ্যুত করা হয়। ফলে নতুন কাজ খোঁজার উদ্দেশে তাকে ইতালির বিভিন্ন স্থানে ভ্রমণ করতে হয়। নিত্যনতুন সংগীত দলের সঙ্গে ভিড়েও যান সেই অবসরে। পিতা তার জন্য রাজদরবারে অর্গানবাদক ও কনসার্টপ্রধানের কাজ ঠিক করলেও তিনি সেখানে যোগদান করেননি। বরং ১৭৮২ সালে ভিয়েনায় চলে গিয়ে সেখানে নিজেকে পিয়ানোবাদক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।

ভিয়েনায় সত্যিকার অর্থে তিনি নিজেকে গুছিয়ে নেন। ছাত্রছাত্রীদের পিয়ানো আর বেহালা শিখিয়ে একের পর এক কনসার্টের আয়োজনে তার সময় ভালোই কাটে। ১৭৮২ সালের আগস্টে মোৎসার্ট, কনস্টানৎস ওয়েবারের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের পরপর ছয়টি সন্তান জন্ম নেয়, কিন্তু চারজনই শিশু অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। পরের কয়েক বছর তিনি অভিনব সংগীত সৃষ্টিতে নিয়োজিত থাকেন।

এ সময়ের রচনায় বাখ ও হ্যান্ডেলের রচনা তাকে বিশেষভাবে প্রভাবিত করে। সেই সময়ের সংগীতে বারোক রীতির প্রভাবও লক্ষ করা যায়। একই সময়ে তার জোসেফ হেইডেনের সঙ্গে মোৎসার্টের বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। ফলে জোসেফকে উৎসর্গ করে ছয়টি কোয়ার্টেট রচনা করেন তিনি। সৃষ্টিশীল সময়টিতে তার অপেরা ইউরোপব্যাপী সাড়া ফেলে দিলে তিনি ইউরোপে মহান সংগীতজ্ঞ হিসেবে স্থায়ী আসন নিশ্চিত করেন।

বস্তুত ১৭৮২-৮৫ পর্যন্ত সময়টি মোৎসার্টের সৃষ্টিশীলতার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এক মাসের সামান্য বেশি সময়ে তিনি অন্তত ২২টি কনসার্টে পিয়ানো বা বেহালা বাজিয়েছিলেন। ২২টির মধ্যে পাঁচটি কনসার্ট ছিল মোৎসার্টের একক পরিবেশনা। তখন শ্রোতারা মোৎসার্টের সংগীতে এত বেশি আবিষ্ট ছিল যে শহরের মিলনায়তন বা হলরুমগুলো না মিললে রেস্তোরাঁ বা বলরুমেও কনসার্টের আয়োজন করতে হয়েছে।

১৭৮৫ সালের শেষ নাগাদ মোৎসার্টের পরিচয় হয় ভেনিসের সংগীতজ্ঞ ও কবি লরেঞ্জো দ্য পন্টের সঙ্গে। দুজনের মিলিত প্রচেষ্টায় সৃষ্টি হয় ‘দ্য ম্যাজিক অব ফিগারো’ অপেরাটি। সংগীতটি ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয় এবং ভিয়েনা ও প্রাগের শ্রোতাদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়। সেই সৃষ্টির সূত্র ধরে দুই বন্ধু রচনা করেন দন জিওভান্নি। এ সংগীতটি তাকে প্রশংসার শিখরে নিয়ে যায়। পৃথিবীর সংগীতের ইতিহাসে এ সৃষ্টিগুণেই তাকে অনন্যসাধারণ করে তোলে। ১৭৮৭ সালে এরই ফলে তিনি সম্রাট দ্বিতীয় জোসেফের দরবারে সংগীতজ্ঞ হিসেবে নিয়োগ পান। কিন্তু যুদ্ধের ডামাডোলে সেই সৌভাগ্যে ইতি ঘটে। সাম্রাজ্যে তখন কেবল হিংসার উন্মত্ততা; সংগীতের মোহে পড়ে থাকার মানসিকতা বা নিরাপত্তা মানুষের জীবন থেকে হারিয়ে যায়।

তাই ১৭৮৮ সালে মোৎসার্ট পরিবারসহ ভিয়েনা ছেড়ে অস্ট্রিয়ারই অলসেরগ্রান্দ শহরে চলে আসতে বাধ্য হন। লাগাতার অভাবনীয় সৃষ্টিকর্ম এবং ১৭৮৯ ও ১৭৯০ সালে প্রচুর কনসার্ট চালু থাকলেও তার অর্থনৈতিক অবস্থার তেমন কোনো উন্নতি ঘটেনি। কিন্তু তার ভেতরের শিল্পীসত্তা অর্থনৈতিক কিংবা সামাজিক, কোনো আঘাতেই ব্যাহত হয়নি। বরং মোৎসার্টের জীবনের শেষ বছরগুলো ছিল সত্যিকার অর্থে দুর্দান্ত সৃষ্টিশীল। তখন তিনি দ্য ম্যাজিক ফ্লুট, স্ট্রিং কুইন্টেটস, মোলেটের মতো কালজয়ী সংগীত রচনা করেন।

মোৎসার্টের সংগীত শ্রোতার মর্মমূল স্পর্শ করে। শ্রোতাকে কত গভীরভাবে ভাবায় তা বর্ণনাতীত। সবচেয়ে লক্ষণীয় হলো, মোৎসার্টের সংগীত শ্রোতার কানে প্রবেশ করলে একই সঙ্গে শূন্যতা ও পরিপূর্ণতার বোধ তৈরি করে। শ্রোতা তার সম্পর্কে আগ্রহী হলে তিনটি ভিন্ন মাত্রা জানতে পারে। প্রথমত, তার সংগীত। দ্বিতীয়ত, তার শখ, যেমন—অবসরে তিনি যা করতে পছন্দ করতেন। আর তৃতীয়ত, গুছিয়ে কিংবা খানিক অগোছালোভাবে লেখা তার প্রচুর চিঠি। তার চিঠিগুলো আগ্রহী শ্রোতা তথা পাঠকের জন্য নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে। শ্রোতাদের অনুভূতি তিনি মনোযোগ দিয়ে শুনতেন। তবে সে বিষয়ে নিজের অনুভূতি জানাতে গিয়ে বলেছিলেন, ‘শ্রোতা যখন যে প্রশংসা বা সমালোচনা করেন, তা আমি মন দিয়ে শুনি। তবে দিনশেষে কেবল আমার যা মন চায় তা-ই করি।’

১৭৯১ সালে মোৎসার্ট যখন মাত্র ৩৫ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন তখন সে যুগের স্বল্পায়ু মানুষের হিসেবেও একে অকালমৃত্যুই বলা হয়েছিল। কিন্তু ছোট জীবনেই তিনি সংখ্যায় ও মানের উত্কর্ষতায় এমন সংগীত শ্রোতাদের জন্য রেখে গেছেন, যা অবিশ্বাস্য। মোটামুটি দীর্ঘ জীবন পেলে তিনি আরো কত সৃষ্টিতে নিজেকে নিয়োগ করতেন তা কল্পনাতীত। যা হোক, মোৎসার্টের অকালমৃত্যু নিয়ে প্রচুর জল্পনা-কল্পনা যেমন তখনো চালু ছিল, এখনো আছে। ইতিহাসের কোনো বর্ণনায় দেখা যায় দু-একদিনের জ্বর এবং অচেনা লক্ষণসমৃদ্ধ অজানা রোগের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। ইতিহাসেরই আরেকটি ধারা আবার তার মৃত্যু অপঘাতজনিত বলে দাবি করে। দেখা যায়, তার বন্ধু আন্তোনিও সালিয়েরিকে দায়ী করা হয় মোৎসার্টের মৃত্যুর জন্য। ধারণা করা হয়, সম্পর্কের বিরোধজনিত কারণে তিনি মোৎসার্টকে বিষপ্রয়োগ করেন।

তবে স্বল্পায়ু হলেও তার সৃষ্টি কালের অসীমতাকে স্পর্শ করেছে। সেই যুগ থেকে এ যুগেও লক্ষ কোটি শ্রোতাকে বিমোহিত করে রেখেছে। বিটোফেন, ভাগনার বা চাইকভস্কিসহ, পরবর্তীকালে তাকে অনুকরণকারী বিখ্যাত পিয়ানোবাদকদের উত্তরসূরি করে রাখার মতো ক্ষমতা তার সংগীতের ছিল। বলা যায়, অনেক প্রতিভাধর ব্যক্তির মতো মোৎসার্ট মৃত্যুর পর নয়, বরং জীবদ্দশায়ই পৃথিবীবিখ্যাত সংগীতজ্ঞের মর্যাদা পেয়ে গেছেন। অন্যদিকে অনায়াসে বলা যায়, শ্রোতার মৃত্যু না হওয়া অবধি মোৎসার্টের সংগীতেরও মৃত্যু নেই।

 

আফসানা বেগম: কথাসাহিত্যিক ও অনুবাদক


  • 1
    Share
শর্টলিংকঃ