স্বাস্থ্যের ৪৫ জনের সম্পদের খোঁজে দুদক

  • 20
    Shares

ইউএনভি ডেস্ক:

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৪৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর অবৈধ সম্পদের বিষয়ে অনুসন্ধান ও তদন্ত করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ২০১৯ সাল থেকে তাদের কর্মকর্তা-কর্মচারীর অবৈধ সম্পদের বিষয়ে অনুসন্ধান করছে দুদক। ইতোমধ্যে ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে।


এছাড়া আলোচিত গাড়িচালক মালেকসহ স্বাস্থ্য ১১ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের স্ত্রীদের অঢেল সম্পদের খোঁজ পাওয়ায় গত ১৬ সেপ্টেম্বর সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ দিয়েছে সংস্থাটি।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) এ বিষয়ে দুদক সচিব মুহাম্মদ দিলোয়ার বখত বলেন, ‘স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একদল কর্মকর্তা-কর্মচারী সিন্ডিকেট করে দুর্নীতি করছে, এমন অভিযোগের বিষয়ে ২০১৯ সাল থেকে আমরা একটি অনুসন্ধান টিম গঠন করি। ইতোমধ্যে মালেকসহ ৪৫ জনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান ও তদন্ত চলছে। এদের মধ্যে ১২ জনের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা হয়েছে।’

যে ১১ কর্মকর্তা- কর্মচারীর বিরুদ্ধে সম্পদের নোটিশ দেওয়া হয়েছে তারা হলেন- জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্ব) মাহমুদুজ্জামান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ইপিআই শাখার হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মজিবুল হক মুন্সি, গোপালগঞ্জের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ওবাইদুর রহমান, গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দিন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের স্টোর অফিসার নাজিম উদ্দিন ও বরিশাল বিভাগীয় পরিচালকের কার্যালয়ের সহকারী প্রধান পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মীর রায়হান আলী।

অন্যদিকে স্বাস্থ্যের ৬ জন কর্মচারী হলেন- স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ইপিআই ভবনের এনএনএইচপি ও আইএমসিআই ইউনিটের ডাটা এন্ট্রি অপারেটর তোফায়েল আহমেদ ভূঁইয়া, হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার অফিস সহকারী কামরুল হাসান, গোপালগঞ্জের শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজের স্টোনোগ্রাফার কাম কম্পিউটার অপারেটর সাইফুল ইসলাম, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হিসাব রক্ষক ইমদাদুল হক, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হিসাবরক্ষক আনোয়ার হোসেন ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গাড়ি চালক আবদুল মালেক।

দুদক উপ-পরিচালক সামছুল আলমের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম অনুসন্ধানের দায়িত্ব পালন করছেন। অনুসন্ধান টিমের অন্যান্য সদস্যরা হলেন- উপ-সহকারী পরিচালক মো. সহিদুর রহমান ও ফেরদৌস রহমান। যার তদারককারী কর্মকর্তা হলেন দুদক পরিচালক কাজী শফিকুল আলম।


  • 20
    Shares
শর্টলিংকঃ