‘জিএম কাদেরই জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান, সংখ্যাগরিষ্ঠ এমপি তার পক্ষে’

  • 2
    Shares

জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী ফিরোজ রশিদ এমপি বলেছেন, জিএম কাদেরই জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান। সংখ্যাগরিষ্ট এমপি তার পক্ষে। জিএম কাদেরকে জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা করতে পার্টির ১৬ জন এমপির সই করা চিঠি স্পিকারকে দেয়া হয়েছে।বৃহস্পতিবার কক্সবাজারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

কাজী ফিরোজ রশিদ বলেন, জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ছিলেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। তিনি ইন্তেকালের আগেই ছোটভাই জি এম কাদের সাহেবকে লিখিতভাবে উনার স্থলাভিষিক্ত করেছেন অর্থাৎ পার্টির চেয়ারম্যান নিযুক্ত করেছেন। এ নিয়ে সংশয়ে থাকার কোনো সুযোগ নেই।

জাতীয় পার্টি জি এম কাদেরের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ দাবি করে ফিরোজ রশিদ বলেন, দলের ১৬ জন সংসদ সদস্য পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদেরকে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা নির্বাচিত করেছেন। এটিকে যারা চ্যালেঞ্জ করছেন তারা পার্টির গঠনতন্ত্র বিরোধী কাজ করছেন।

‘আমাদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সংসদ সদস্যরা জিএম কাদেরকে সমর্থন করেছেন। উনি সংসদে বিরোধী দলের নেতা এবং পার্টির চেয়ারম্যান। একে যারা চ্যালেঞ্জ করছেন তারা গঠণতন্ত্র বিরোধী কাজ করছেন। গঠনতন্ত্রের পরিপন্থি কাজ করলে দল শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারে’-যোগ করেন কাজী ফিরোজ।

সম্প্রতি বিরোধী দলীয় নেতা নির্বাচন নিয়ে জাতীয় পার্টিতে বিবেদ তৈরি হয়েছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে জি এম কাদেরকে সমর্থন দিয়ে এসব কথা বললেন ফিরোজ রশিদ চৌধুরী।

জাতীয় পার্টির এই প্রেসিডিয়াম সদস্য আরও বলেন, ‘পার্লামেন্টারি পার্টির কথা তারা (রওশন এরশাদের অনুসারী) বলছেন। আমাদের গঠণতন্ত্রের ২২ ধারায় আছে জাতীয় পার্টির যেসব সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবে তাদের নিয়ে পার্লামেন্টারি পার্টি হবে। পার্টির চেয়ারম্যান ওই পার্টির সদস্যের মধ্যে থেকে যে কাউকে নেতা, উপনেতা হুইপ নির্বাচিত করতে পারবেন। প্রত্যেক সদস্য উক্ত সিদ্ধান্ত মানতে বাধ্য থাকবেন। অর্থাৎ পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদেরকে এই সংসদীয় দলের নেতা হিসেবে প্রস্তাব করেছি।’

মূলধারা থেকে সরে গিয়ে কেউ সুবিধা করতে পারে না মন্তব্য করে ফিরোজ রশিদ বলেন, এর আগেও জাতীয় পার্টিতে দুবার ভাঙন হয়েছে। মূলধারা থেকে সরে গিয়ে কেউ সুবিধা করতে পারে না। চট্টগ্রাম বিভাগের ১৬টি জেলার সবাই জিএম কাদের এবং জাতীয় পার্টির প্রতি আস্থাশীল।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও চট্রগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক কমিটির সদস্য সচিব রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, যুগ্ম মহাসচিব মনিরুল ইসলাম মিলন প্রমুখ।


  • 2
    Shares
শর্টলিংকঃ