পরকীয়ায় জড়িয়ে পালিয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান

  • 102
    Shares

আকতার হোসেন বকুল, জয়পুরহাট :

 জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার আওলাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাককে (৫২) বিয়ের দাবিতে ইউনিয়ন পরিষদ চত্ত্বর ও চেয়ারম্যানের বাড়িতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত অনশন করে ফারিয়া আখতার চুমকী (৩৮) নামে এক গৃহবধু। সোমবার থেকে ঐ গৃহবধূ অনশন শুরু করেছে। গৃহবধূর অভিযোগ, রাজ্জাক চেয়ারম্যান বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেছে দীর্ঘদিন ধরে। 

ফারিয়া আখতার চুমকী গাইবান্ধা জেলার কামদিয়া এলাকার বাসিন্দা ব্যবসায়ী সনি চৌধুরীর স্ত্রী ও এক কন্যা সন্তানের জননী। অভিযুক্ত চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক পাঁচবিবি উপজেলার ছাতিনআলী গ্রামের মৃত ইউনুস মন্ডলের ছেলে ও আওলাই ইউনিয়ন বিএনপির নেতা।

ফারিয়া আখতার চুমকী অভিযোগ করে বলেন, ৬-৭ মাস আগে মোবাইলে চেয়ারম্যানের সাথে পরিচয় হয়, পরিচয়ের পর থেকেই বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেখিয়ে তিনি বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে গিয়ে আমার সাথে দৈহিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। কিছুদিন আগে আমাদের সম্পর্কের ব্যাপারটি আমার স্বামীসহ আমার আত্মীয়দের মধ্যে জানাজানি হলে আমাকে বিভিন্ন রকম চাপ সৃষ্টি করতে থাকে। আমার পরিবারের চাপ সৃষ্টির কথা চেয়ারম্যান রাজ্জাককে জানিয়ে বিয়ের কথা বললে সে বিভিন্ন রকম টাল বাহানা করতে থাকে। এতে করে উপায়ন্তর না দেখে আজকে বিয়ের দাবিতে চেয়ারম্যান রাজ্জাকের কাছে এসেছি, আমি এখানে আসার পর থেকে সে পালিয়ে গেছে।

আওলাই ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী আমিনুল ইসলাম জানান, গৃহবধুটিকে তার পরিবার রাতে এসে নিয়ে গেছে, ঘটনাটি সত্য নয়, এটা একটা সাজানো।

আওলাই ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার সেকেন্দার আলী বলেন, পাশের জেলার এক গৃহবধু চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বিয়ের দাবি নিয়ে অভিযোগ করেছে, যেহেতু এটা প্রমাণ সাপেক্ষ ব্যাপার তাই তাকে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আওলাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাকের সাথে রাতে মোবাইলে (০১৭৪০-৯৯৪৯১১) যোগাযোগ করা হলে তিনি মোবাইল ধরেন নি।

পাঁচবিবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুনসুর রহমান জানান, মোবাইলের মাধ্যমে ঘটনাটি শুনেছি, তবে গৃহবধু অভিযোগ দিলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।


  • 102
    Shares
শর্টলিংকঃ