পুঠিয়ায় ১০টি গ্রাম বন্যায় প্লাবিত

  • 11
    Shares

পুঠিয়া প্রতিনিধি:

রাজশাহীর পুঠিয়ার বারনই নদীর পানিতে শিলমাড়িয়া ইউনিয়নের অধিকাংশ গ্রাম এখন বন্যা কবলিত। এতে করে ওই এলাকার অধিকাংশ কাঁচা বাড়িঘর ভেঙ্গে পড়েছে। তলিয়ে গেছে আমন ধান, পান বরজসহ বিভিন্ন ফসল ক্ষেত ও পুকুর।

এমত অবস্থায় সহয়তা না পাওয়ায় নিন্ম আয়ের সাধারন পরিবার গুলো মানবেতর জীবন যাপন করছেন।শিলমাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান সাজ্জাদ হোসেন মুকুল বলেন, হটাৎ করে গত কয়েক দিনে মাত্রাতিরিক্ত বন্যার কারণে এই এলাকা প্লাবিত হয়েছে। তার উপর এক শ্রেণীর লোকজন বারনই নদীতে নেটজাল ব্যবহার করে মৎস্য শিকার করছেন।

এর ফলে পানি ফুলে গিয়ে গত তিন-চার দিনে এই ইউনিয়ন এলাকার গবিন্দপাড়া, মঙ্গলপাড়া, সাতঘোষপাড়া, বাজে সাতঘোষপাড়া, সাধনপুর, বিদিরপুর, শ্রীরামপুরসহ অন্তত ১০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া আরো ১২টি গ্রামের আংশিক এলাকায় পানি ঢুকে পড়েছে। ফলে এই এলাকা গুলোতে বেশীর ভাগ মাটির তৈরি কাঁচা বাড়ি-ঘর ধসে পড়ছে। আর এতে করে আমন ধান, বিভিন্ন পুকুরের মাছ ও পানের বরজ ডুবে গেছে।

প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে প্রায় ১০ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিষয়টি আমি ইতিমধ্যে উপজেলা চেযারম্যান, নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে অবহিত করেছি। তবে এখনো পর্যন্ত সরকারী ভাবে অনুদান না আসায় ক্ষতিগ্রস্থ্যদের কোনো সহয়তা দেয়া হয়নি।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম বলেন, শিলমাড়িয়া এলাকাতে বন্যার করণে কিছু এলাকায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আমরা ক্ষতিগ্রস্থ্যদের সার্বিক সহয়তার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।

উপজেলা চেয়ারম্যান জিএম হিরা বাচ্চু বলেন, বারনই নদীতে নেটজাল ব্যবহারে পানি চলাচলে বাধাগ্রস্থ্য হচ্ছে। গত দু’দিনে ওই নেটজাল গুলো অপসারন করা হচ্ছে। আগামী দু’দিনের মধ্যে প্লাবিত এলাকার পানি কমে যাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। আর বন্যায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমান নির্ণয় করতে একটি তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। আর ক্ষতিগ্রস্থ্য অসহায়দের কিছু খাদ্য সহয়তায় করতে ইতিমধ্যে পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।


  • 11
    Shares
শর্টলিংকঃ