হোয়াইট হ্যাট হ্যাকারদের চাহিদা বাড়ছে


ইউএনভি ডেস্ক:

বাগ বাউন্টি প্ল্যাটফর্ম হ্যাকারওয়ানের হোয়াইট হ্যাট হ্যাকারদের আয় বেড়েছে। চলতি বছর প্ল্যাটফর্মটির সদস্য সংখ্যা দাঁড়াবে ৬ লাখে। গত বছরের চেয়ে চলতি বছর এই কমিউনিটি হবে দ্বিগুণ বড়।হোয়াইট হ্যাট বা এথিকাল হ্যাকাররা অর্থের বিনিময়ে ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা ত্রুটি ধরিয়ে দেয়।

হোয়াইট হ্যাট হ্যাকারদের চাহিদা বাড়ছে

কোম্পানিগুলোর সঙ্গে এই হ্যাকারদের যোগাযোগের মাধ্যম তৈরি করে হ্যাকারওয়ান প্ল্যাটফর্ম।জেনারেল মটোরস, গুগল গোল্ডম্যান সাচ, টয়োটা ও আইবিএমের মতো বড় বড় কোম্পানিগুলো হ্যাকিংয়ের শিকার হওয়ার ভয়ে হোয়াইট হ্যাট হ্যাকারদের মাধ্যমে তাদের সেবার ত্রুটি আগেভাগে খুঁজে বের করে।

এতে হ্যাকিংয়ের শিকার হয়ে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি এড়ানো যায়।২০১২ সাল থেকে বাগ বাউন্টি প্রোগ্রামের প্রচলন শুরু হয়। এখন পর্যন্ত বিভিন্ন কোম্পানি এই খাতে মোট ৮২ মিলিয়ন ডলার খরচ করে সফলভাবে দেড় লাখ ত্রুটি শনাক্ত করতে পেরেছে।

গত ১ বছরে হ্যাকাররা বাগ বাউন্টি প্রোগ্রাম থেকে সম্মিলিতভাবে আয় করেছে ৪০ মিলিয়ন ডলার, যা বিগত বছরগুলো আয় করা অর্থের সমান।সর্বপ্রথম ২০১৮ সালে হ্যাকারওয়ানের একজন হ্যাকার ১ মিলিয়ন ডলার আয় করেন। গত বছর ৭ জন হ্যাকার এই মাইলফলক অতিক্রম করেন।

২০১৮ সালের তুলনায় ১ লাখ ডলার আয় করা হ্যাকারের সংখ্যা বেড়েছে ৩ গুণ।হোয়াইট হ্যাট হ্যাকারদের আয় মূলত বেড়েছে সরকারি সংস্থাগুলোর কারণে। তাদের দক্ষতা কাজে লাগানোর সুফল পাচ্ছে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো।

হ্যাকারওয়ান জানিয়েছে, সরকারি প্রতিষ্ঠানে গত বছর একই সময়ের চেয়ে তাদের চাহিদা বেড়েছে ২১৪ শতাংশ।তবে এই হ্যাকারদের কোনো প্রশিক্ষণ নেওয়ার সুযোগ নেই। অনলাইনের রিসোর্স দেখে ও নিজে নিজে অনুশীলন করেই তাদেরকে দক্ষতা বাড়াতে হচ্ছে।

Print Friendly, PDF & Email

শর্টলিংকঃ