নাচোলে ভেজাল কীটনাশকে ধান পুড়ে ছারখার

  • 40
    Shares

নাচোল প্রতিনিধিঃ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে আমন ক্ষেতে রাসায়নিক কীটনাশক ব্যবহারে এক বর্গাচাষীর প্রায় সাড়ে ৭বিঘা আমন ধান পুড়ে(জ্বলে) গেছে। কীটনাশক ব্যবহার করা নিয়ে বর্গাচাষী ও কীটনাশক ডিলার পরস্পরকে দোষারোপ করছে। ঘটনাটি ঘটেছে নাচোল উপজেলার কসবা ইউনিয়নের মধ্য কালইর গ্রামে। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে শালিশ বসলেও সমাধানের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় শেষ পর্যন্ত থানা পুলিশ পর্যন্ত গড়িয়েছে।

সরেজমিন ও এলাকা সূত্রে দেখাগেছে, কসবা ইউনিয়নের কালইর মৌজার সাড়ে ৭ বিঘা ধানের জমির মূল মালিক চাঁপাইনবাবগঞ্জের পাঠানপাড়ার মৃত সেতাব উদ্দীনের ছেলে সিরাজউদ্দীন। ওই জমির বর্গাচাষি হচ্ছেন মধ্য-কালইর গ্রামের মৃত আবতাব উদ্দিনের ছেলে আলাউদ্দীন। প্রায় ২৫দিন পূর্বে আলাউদ্দীন একই গ্রামের মেসার্স আবু বাক্কার এর কীটনাশকের দোকান থেকে জেনারেল এগ্রো কেমিকেল কোম্পানীর জাইকা-৯৫ এসপি, জেনিজল-৩২৫এসপি, এবার্টন-১.৮ইসি ও জিওবান-৫০৫ইসি কীটনাশকগুলি তার জমিতে স্প্রে করেন। স্প্রে করার ২/৩ দিন পর জমির ধান জ্বলে(পুড়ে) খড় হতে থাকে। বিষয়টি আলাউদ্দীন কীটিনাশক ডিলার আবু বাক্কার জানালে তিনিও পরদিন সকলে ক্ষেতের ধান পরিদর্শনে যান। গিয়ে দেখেন ধান ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

বর্গচাষী আলাউদ্দীনের অভিযোগ কীটনাশক ডিলার আবু বাক্কার তাকে ভেজাল কীটনাশ দিয়েছে। আর তা প্রয়োগের ধান ক্ষেত পুড়ে গেছে। অপরদিকে, কীটনাশক বিক্রেতা আবু বাক্কার জানাই অতিমাত্রায় বা ঘাসমারা কীটনাশক ব্যবহারের ফলে এ ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে। নাচাল উপজেলা কৃষি অফিসার বুলবুল আহাম্মেদ, উপসহকারী কর্মকর্তা রাকিব আলীসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্ত ধানক্ষেত এলাকা পরিদর্শণ করেছেন।

বিষয়টি নিয়ে ডিলার আবু বাক্কার ও ক্ষতিগ্রস্ত বর্গাচাষী আলাউদ্দীন স্থানীয় ভাবে এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে সমঝোতায় বসলেও শেষ পর্যন্ত বিষয়টি নিস্পত্তি না হওয়ায় থানা পুলিশ পর্যন্ত গড়িয়েছে।
এব্যাপারে নাচোল উপজেলা কৃষি কর্মকতা বুলবুল আহম্মেদ এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ঘটনা শুনে ক্ষতিগ্রস্ত ধান ক্ষেত পরিদর্শণ করেছি। তবে তদন্ত শেষে দোষী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে ।

 

 


  • 40
    Shares
শর্টলিংকঃ